সিলেটট্রিবিউন ডেস্কঃ গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে আমাকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। আমি মনিরুল ইসলাম, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য সহকারী হিসেবে কর্মরত। রাজবাড়ীর বিধান কুমার বিশ্বাস (পিতা- বিষ্ণু কুমার বিশ্বাস) নামীয় এক ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে যে সব তথ্য সংবাদে উল্লেখ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।
প্রকৃত তথ্য এই যে, বিধান কুমার বিশ্বাস ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে আমাকে এবং লোক মারফত আমার কাছে অনৈতিকভাবে চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদা না পেয়ে তিনি আমাকে হয়রানি ও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন, যার সকল প্রমাণ আমার নিকট সংরক্ষিত আছে। তিনি বিভিন্ন দপ্তরে আমার নামে বেনামে অভিযোগ পত্র প্রেরণ করে আমাকে বিপদে ফেলার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন।
আমি একজন সরকারি কর্মচারী ও শান্তিব্রত মানুষ হিসেবে কখনো কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর সাথে জড়িত নই। অথচ ওই ব্যক্তি আমাকে 'ফ্যাসিস্ট' হিসেবে অপপ্রচার চালিয়ে আমার সামাজিক ও পারিবারিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন। আমি কখনো কারো কাছ থেকে কোনো অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করিনি, বরং সততার সাথে দায়িত্ব পালন করায় ২০২৫ সালসহ দুইবার বিভাগীয়ভাবে ‘সেরা কর্মচারী’ হিসেবে মনোনীত হয়েছি।
উক্ত বিধান কুমার বিশ্বাস ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের হুমকিতে আমি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে মোংলা থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং- ১১৮৩/২০২৫ এবং ৭৭৬/২০২৬) সম্পন্ন করেছি।
এমতাবস্থায়, এ ধরনের মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের বিভ্রান্তিতে না পড়ার জন্য সকলকে অনুরোধ জানাচ্ছি। এই প্রতিবাদলিপি প্রকাশের পরেও যদি কোনো ব্যক্তি বা গণমাধ্যম আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য থাকিব।
নিবেদক, মনিরুল ইসলাম তথ্য সহকারী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ। মোবাইল: ০১৭১১-১৩৮৪৪১
সিলেটট্রিবিউন /এফএ
