দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় তাসনিয়া আক্তার লুবনা বলেন, “এনসিপি সিলেট মহানগরের যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে আমাকে মনোনীত করায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞ। এই আস্থা প্রমাণ করে—এনসিপি যোগ্যতা, পরিশ্রম ও সংগঠনের ভিত্তিতেই নেতৃত্ব নির্বাচন করে।”
তিনি আরও বলেন, “সিলেটে সুস্থ রাজনীতি, স্বচ্ছ নেতৃত্ব ও পরিবর্তনের রাজপথ গড়ে তুলতে আমি আরও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করব। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে এনসিপি জনগণের শক্তিশালী কণ্ঠস্বর। জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের রাজনীতিতে আমরা বিশ্বাসী।”
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নির্দেশনা ও সিলেটবাসীর সমর্থন নিয়ে মহানগরে এনসিপিকে আরও শক্তিশালী সংগঠনে রূপ দিতে চান বলে জানান তিনি। জানা গেছে, দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাসনিয়া আক্তার লুবনার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে।
সম্প্রতি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজালকে আহ্বায়ক এবং মো. কিবরিয়া সারওয়ারকে সদস্য সচিব করে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট এনসিপি সিলেট মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনে গঠিত এই নতুন কমিটি সিলেটে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
দলীয় নেতৃবৃন্দ জানান, নবগঠিত কমিটি তৃণমূল পর্যায়ে এনসিপিকে আরও সক্রিয় করা, সাংগঠনিক ভিত্তি সুদৃঢ় করা এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কমিটি ঘোষণার পর মহানগর ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
