উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা হুযায়ফা হুসাইন চৌধুরী। জুম্মার নামাজে ইমামতি করেন লন্ডন থেকে আগত বিশিষ্ট আলেম মাওলানা হাফেজ নাহিদ আহমদ আজহারী।
মসজিদটি নির্মাণের প্রেক্ষাপট নিয়ে মরহুম হাজী ফিরোজ মিয়ার পরিবার জানায়, তাঁদের পিতা ১৯৯৩ সালে ইন্তেকাল করেন। পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং ‘সদকায়ে জারিয়া’র নিয়তে প্রবাসী ভাই-বোনেরা সম্মিলিতভাবে তাঁদের পারিবারিক মালিকানাধীন প্রায় ২৫ শতক জমির ওপর এই মসজিদটি নির্মাণ করেছেন। তাঁরা তাঁদের মরহুম পিতা-মাতার জান্নাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় কোনো মসজিদ না থাকায় দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তাঁদের নামাজ আদায় করতে হতো। এই মহতী উদ্যোগের ফলে এলাকাবাসীর সেই কষ্ট লাঘব হয়েছে। উল্লেখ্য, দুই বছর পূর্বে ফিলিস্তিনের পবিত্র আল আকসা মসজিদের ইমাম ও খতিব শায়খ আলী ওমর ইয়াকুব আল আব্বাসী এই মসজিদটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন— বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, কদমতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মজির উদ্দিন ক্বাসেমী, আলিম ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি আলিমুল এহসান চৌধুরী, স্বাদ কোম্পানির এমডি নুরুল আলম ও সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক।
এছাড়াও সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিন, সাংবাদিক মঈন উদ্দিন মঞ্জু, ৮নং খাগাউড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদ কোরেশী মক্ষি, হাজী ফিরোজ মিয়া কল্যাণ ট্রাস্টের মোতাওয়াল্লি হাজী আব্দুল মতিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের মুসল্লিরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শরিক হন।
সিলেটট্রিবিউন/এলএ
.jpeg)