রবিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সিলেট মহানগরের লালবাজার ও জেল রোড এলাকার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গণসংযোগকালে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, “একসময় সিলেটের হাওর-বাঁওড়-খালে প্রচুর দেশি মাছ পাওয়া যেত। এখন সেই দৃশ্য অতীত। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মাছ এনে সিলেটের চাহিদা পূরণ করতে হচ্ছে। কিন্তু এই জায়গাটাতেই রয়েছে সম্ভাবনা—সিলেটের তরুণদের আধুনিক প্রযুক্তিতে মাছ চাষে যুক্ত করে স্থানীয়ভাবেই উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।”
তিনি জানান, স্থানীয়ভাবে মাছ উৎপাদন বাড়াতে পারলে শুধু বাজারের চাহিদাই পূরণ হবে না—অঞ্চলের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানও নিশ্চিত করা যাবে।
তরুণদের দক্ষতায় রূপান্তরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সিলেটে প্রতিদিন প্রায় ১২ লাখ ডিমের চাহিদা থাকলেও স্থানীয় উৎপাদন মাত্র দুই লাখ। প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ডিম বাইরে থেকে আমদানি করতে হচ্ছে। যদি জনগণ আমাকে সুযোগ দেন, তাহলে তরুণদের দক্ষ করে এই বিশাল ঘাটতি স্থানীয়ভাবে পূরণ করা হবে ইনশাআল্লাহ।”
গণসংযোগ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী, সহ-সভাপতি আব্দুল হাকিম, ব্যবসায়ী নেতা জিয়াউল হক জিয়া এবং বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
এর আগে সকালে মঈন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজে একাদশ শ্রেণীর নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। কলেজের অধ্যক্ষ আবিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্য গোলজার হোসাইন চৌধুরী, দেওয়ান আছকির আলী ও অধ্যাপক পার্থ সারথি নাথ।
এদিকে লালবাজার ও জেল রোড ছাড়াও সারা দিন মহানগরের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ চালান খন্দকার মুক্তাদির। পাশাপাশি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন এলাকায় পৃথকভাবে প্রচারনা চালাচ্ছেন। তৃণমূলের ভোটাররা জানিয়েছেন, পাড়ার চায়ের দোকান থেকে গৃহিণীর রান্নাঘর—সবখানেই এখন আলোচনা ধানের শীষ ও খন্দকার মুক্তাদিরকে ঘিরে।
%20-%2007.12.2025.jpg)