বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকালে ঢাকার গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ ঘোষণা দেন।
এর আগে প্রথম দফায় বিএনপি ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনের নাম বাদ ছিল। এরপরই দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে আরিফুল হক চৌধুরী ঢাকায় ছুটে যান এবং নীতিনির্ধারক পর্যায়ে একাধিক বৈঠকে অংশ নেন। পরে তিনি সিলেটে ফিরে এসে সিলেট-৪ আসনে ধানের শীষের পক্ষে মাঠে প্রচারণা শুরু করেন।
এই প্রচারণার মধ্যেই শুরু হয় সমালোচনা ও অভ্যন্তরীণ বিরোধ। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের মনোনয়ন প্রত্যাশী—গোয়াইনঘাটের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাকিম চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকীসহ অন্যান্য প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা আরিফুল হকের মনোনয়নের বিরোধিতা করে নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। তবে এসব বিরোধ ও সমালোচনা পাশ কাটিয়ে আরিফুল হক চৌধুরী গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুরের প্রায় সব এলাকায় নিজস্ব নেটওয়ার্ক দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যান।
শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার বিকালে বিএনপির মহাসচিব সিলেট-৪ আসনে তার নাম ঘোষণা করলে স্বস্তি ফিরে আসে আরিফুল হক চৌধুরী ও তার সমর্থকদের মাঝে। মনোনয়ন ঘোষণার পর দলের নেতাকর্মীরা জানান, এ ঘোষণার মাধ্যমে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ অনিশ্চয়তারও অবসান ঘটল।
