বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের জরুরি অনলাইন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভার সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সাইফুদ্দীন আহমদ।
প্রক্টর ড. সাইফুদ্দীন আহমদ জানান, শহীদ ওসমান হাদির পরিবার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং ক্যাবিনেট সদস্যদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি প্রাঙ্গণে খালি থাকা নির্দিষ্ট স্থানে ওসমান হাদির দাফনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এদিকে শনিবার সকালে নজরুল সমাধির সামনে নির্ধারিত কবরস্থান একনজর দেখার জন্য সাধারণ মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে এ সময় পর্যন্ত কবর খোঁড়ার কাজ শুরু হয়নি।
এ প্রসঙ্গে প্রক্টর ড. সাইফুদ্দীন আহমদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব জনবল না থাকায় কবর খোঁড়ার কাজ গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। শিগগিরই গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মীরা এসে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করবেন বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদি সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে পরিচিত ছিলেন। তার শাহাদাতে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সিলেটট্রিবিউনটুয়েন্টিফোর/এমএলএ
