| ছবিঃ সংগৃহিত |
সিলেটট্রিবিউন ডেস্কঃ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে নিখোঁজ শ্রমিক রেজাউল শিকদারের (৩৫) সন্ধান মেলেনি ২৩ ঘণ্টা পেরোলেও। মঙ্গলবার বিকেলে নিখোঁজ হওয়ার পর আজ বুধবার দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত তার কোনো হদিস পায়নি ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
নিখোঁজ রেজাউল শিকদার গোয়ালন্দ উপজেলার বাহিরচর শাহাদাৎ মেম্বার পাড়া এলাকার মৃত মহিউদ্দিন শিকদারের ছেলে।
ঘটনার বিবরণ: স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুনে এক যাত্রীর সঙ্গে রেজাউলের কথা-কাটাকাটি হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দুজনেই নদীতে পড়ে যান। স্থানীয়রা ওই যাত্রীকে উদ্ধার করতে পারলেও রেজাউল শিকদার নদীর স্রোতে তলিয়ে যান। খবর পেয়ে মানিকগঞ্জের আরিচা স্থল কাম নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল সন্ধ্যা ৬টা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রথম দিন রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত অভিযান চললেও তার সন্ধান মেলেনি। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১০টা থেকে পুনরায় দ্বিতীয় দিনের উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।
পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ: এদিকে রেজাউলের পরিবারের দাবি, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয় বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাকে পন্টুন থেকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও রেজাউলের সন্ধান দাবি করেছেন তারা।
আরিচা স্থল কাম নদী ফায়ার স্টেশনের লিডার জয়নুল আবেদিন জানান, নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সিলেটট্রিবিউন/জেএন/ডেস্ক-০৫