প্রতিমন্ত্রী জানান, গত ২ এপ্রিল মন্ত্রিসভার বৈঠকে জ্বালানি সাশ্রয়ে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর জোরালো আবেদন জানানো হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করেন এবং এক ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত করার অনুমোদন দেন। তবে জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলো এই নতুন সময়সীমার আওতামুক্ত থাকবে।
জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, এপ্রিল মাসের চাহিদা মোকাবিলায় সরকারের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। বিশেষ করে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তেলের চাহিদা বেশি থাকলেও দেশে আগামী তিন মাসের প্রয়োজনীয় অকটেন ও পেট্রোল মজুত আছে। কোনো কৃষক ডিজেল সংগ্রহে সমস্যায় পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।
ব্যবসায়ী নেতারা দোকান খোলার সময় পিছিয়ে বেলা ১১টা করার প্রস্তাব দিয়ে বন্ধের সময় রাত ৮টা পর্যন্ত চেয়েছিলেন। সরকার আপাতত ৭টা পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী দেশবাসীকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সর্বোচ্চ মিতব্যয়ী হওয়ার অনুরোধ জানান।
সিটি/লিআ/বানি
